কাহিনি
তিন দিন কেরল পড়া বন্ধ রাখে। অষ্টমীর সন্ধেয় বই, যন্ত্রপাতি আর বাদ্যযন্ত্র সরস্বতীর সামনে রাখা হয় (পূজাবেপ্পু), মহানবমীতে সেগুলি ছোঁয়া হয় না, আর বিজয়া দশমীর সকালে তুলে নেওয়া হয় (পূজাএডুপ্পু)। বিদ্যা নামিয়ে রাখা হয় যাতে তা জেনেবুঝে আবার তুলে নেওয়া যায়।
সেই তুলে নেওয়াই শিশুর শুরু। বছর তিনেকের শিশুকে গুরুর কোলে বসিয়ে তার তর্জনী ধরে কাঁচা চালের থালায় লেখানো হয়; তারপর মধুতে ডোবানো সোনার আংটি দিয়ে সেই অক্ষরই তার জিভে লেখা হয়। কথাগুলি হরি শ্রী গণপতয়ে নমঃ — মালয়ালম পাঠ্যবই এককালে এই দিয়েই খুলত।
কোট্টায়মের কাছে পনচিক্কাডে আর তিরূরের তুঞ্চন পরম্বুতে ভোর হওয়ার আগেই লাইন পড়ে; ওখানেই আধুনিক মালয়ালমের জনক তুঞ্চত্তু এঝুত্তচ্ছনকে স্মরণ করা হয়। এক সকালেই হাজার হাজার শিশু শুরু করে, আর পরদিন খবরের কাগজে তাদের ছবি ছাপা হয়।