কাহিনি
এই উপত্যকার দশেরায় রাবণ নেই। প্রথম দিনে কিছু পোড়ানো হয় না, কোনও কুশপুতুলও গড়া হয় না; বদলে যা হয় তা দেবতাদের সমাবেশ।
রঘুনাথজি, সপ্তদশ শতকে অযোধ্যা থেকে আনা রামের মূর্তি, যাঁকে রাজা জগৎ সিং প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন, এই উপত্যকার প্রধান দেবতা। কুলুর গ্রামদেবতারা — দুশোরও বেশি, প্রত্যেকের নিজের পালকি, নিজের বাজনদার আর দেবতার হয়ে কথা বলা নিজের গুর — নিজেদের গ্রাম থেকে ধালপুর ময়দানে নেমে এসে তাঁর কাছে হাজির হন।
পালকি কাপড় আর রুপোর মুখোশে ঢাকা, গ্রামের পুরুষেরা কাঁধে করে আনেন, কেউ কেউ দু-তিন দিন হেঁটে পৌঁছন। দেবতারা ময়দানে একে অপরের সঙ্গে দেখা করেন, আর কে কোথায় বসবেন, কে কার কাছে যাবেন — সেই ক্রম উৎসবের চেয়েও পুরনো।