কাহিনি
নয় বছর বয়সে তিনি দশম গুরু হন, যখন কাশ্মীরি হিন্দুদের নিজের ধর্মের অধিকার রক্ষা করার জন্য তাঁর বাবা গুরু তেগ বাহাদুরকে দিল্লিতে শহিদ করা হয়।
১৬৯৯ সালে আনন্দপুরে তিনি জনতার কাছে একটি মাথা চান। একের পর এক পাঁচজন এগিয়ে আসেন; প্রতিবার তাঁদের তাঁবুর পিছনে নিয়ে গিয়ে তিনি তরোয়াল হাতে ফিরে আসেন, আর শেষে পাঁচজনকেই জীবিত বার করে আনেন। সেই পাঁচজনই খালসার প্রথম, আর তারপর তিনি সেই পাঁচজনের কাছেই নিজের দীক্ষা চান।
মুঘল যুদ্ধে তিনি চার পুত্র আর মাকে হারান — দুজন যুদ্ধে, আর দুজনকে নয় ও সাত বছর বয়সে সরহিন্দে দেয়ালে গেঁথে দেওয়া হয়। জীবিত গুরুদের ধারা তিনি থামিয়ে দেন আর গুরুপদ গুরু গ্রন্থসাহিবকেই দিয়ে যান।
